যানজট দূর করে পরিবহন ব্যবস্থাকে সহজ করতেই হাতে নেয়া হয় মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার প্রকল্প। তবে এই ফ্লাইওভারটিই এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ভবিষ্যৎ গণপরিবহন পরিকল্পনার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই এলাকা দিয়ে ভবিষ্যতে মেট্রোরেল তো বটেই, বাস র্যাপিড ট্রানজিটের জন্যও বাধা হয়ে দাঁড়াবে এই ফ্লাইওভার। একইসঙ্গে রাস্তা ও ফুটপাত সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় যানজটের পাশাপাশি পথচারীদের চলাচলও হয়ে উঠবে দুর্বিষহ।
তবে প্রকল্প পরিচালক পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলছেন, সমস্যা নয় বরং এই প্রকল্প বাস র্যাপিড ট্রানজিটের সহায়ক হবে।
রাজধানীতে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা বা এসটিপি’র আওতায় নেয়া আছে ৬টি প্রকল্প। এর মধ্যে ৩টি মেট্রোরেল আর ৩টি দ্রুতগতির বিশেষ বাস সার্ভিস বা বিআরটি। এর মধ্যে বিআরটি-থ্রি’র রুট পড়েছে মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার এলাকায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজীপুর থেকে শুরু হয়ে মহাখালি-তেজগাঁও হয়ে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিটের যে রুট তা তেজগাঁওয়ে এসে ফ্লাইওভারের কারণে বাধাগ্রস্ত হবে।
এই এলাকায় ভবিষ্যতে মেট্রোরেলের কোন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা যাবে না। যদিও প্রকল্প পরিচালক তা মানতে নারাজ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্লাইওভারের কারণে মগবাজার ও মৌচাকে ফুটওভারব্রিজ ভেঙ্গে ফেলায় এবং ফুটপাত কেটে ছোট করায় সমস্যায় পড়বেন পথচারীরা। পাশাপাশি রাস্তার উপরেই ফ্লাইওভারের র্যাম্প থাকায় সড়ক ছোট হয়ে বাড়বে যানজট।
তবে প্রকল্প পরিচালক বলছেন, পথচারীদের সুবিধায় প্রকল্প এলাকায় আন্ডারপাস সহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ থাকায় সমস্যা হবে না
Welcome To B News Just another WordPress site
