জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দীর্ঘ দুই মাস আন্দোলন কড়ায় ন্যায়ের পক্ষে যুক্তিসঙ্গত আন্দোলন মেনে না নেয়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ হতাশ বিরাজ করছে।
সকল পর্যায়ের একাধিক সাধারণ জনগণের মুখে শোনা যায় দলবল নির্বিশেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌক্তিক ন্যায়ের পক্ষে আন্দোলন হঠাৎ করে থেমে গেল এর কারণ কোথায়?
একজন ব্যবসায়ী বলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদের আন্দোলন ছিল কাস্টমস ও ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্মকর্তা কর্মচারীদের আন্দোলনের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক দল ইনবল হয়নি।
বিশেষ সূত্রে জানা যায় এনবিআরের মাধ্যমে বিগত দিনের সরকারের দোসরা নাকি আন্দোলন করেছে বিশেষ অনুসন্ধানে পাওয়া যায় যে এখানে শুধুমাত্র কাস্টমস ও ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে ছিলেন আন্দোলনে কোন রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেননি তবে এর পিছনে মেইন হোতা কে এখন পর্যন্ত বের হয়ে আসেনি বিষয়টি অনুসন্ধানের মাধ্যমে তদন্ত করে বের করার জন্য একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন নাম বলতে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঐক্য পরিষদের আন্দোলন সর্বস্তরের গোয়েন্দা সংস্থা কি রিপোর্ট দিয়েছেন সে রিপোর্টের উপর হয়তো অনেক কিছু নির্ভর করতে পারেন।
এরই মধ্যে কাস্টমস ও ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্মকর্তা চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান সাহেবের কাছে ক্ষমার দৃষ্টি প্রার্থনা করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঐক্য পরিষদের সংগঠনের অনেক সংগঠন এবং কাস্টমস ও ভ্যাট এবং ট্যাক্স ও গাড়ি চালক সমিতির সংগঠন ব্যানারের মাধ্যমে আসেনি তারা এসেছে কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে এবং বাংলাদেশ কাস্টমস তৃতীয় শ্রেণী নির্বাহী কর্মচারী সমিতি বাকাস সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যানার নিয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেননি এবং বাকাস সংগঠন উপস্থিত হয়নি তারা এসেছে কমিশনারেট অধীনস্থ কর্মচারী উদ্যতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশের মাধ্যমে আন্দোলনে সিপাই সাব ইন্সপেক্টর অফিস সহকারী অংশগ্রহণ করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায় ঢাকার বাহির থেকে সকল কমিশনারেট থেকে বাস ভরে সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশক্রমে কর্মচারীরা সমগ্র বাংলাদেশ থেকে ঐক্য পরিষদে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ কাস্টমস ও ভ্যাট ও ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের অনেক কর্মচারী নাম বলতে অনিচ্ছুক তারা জানায় যে চেয়ারম্যান মহোদয় যেন কর্মচারীদের কে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং কর্মচারীগণ ক্ষমাপ্রার্থনা ও ব্যক্ত করেন। সে প্রেক্ষিতে কর্মচারীরা মহোদয়ের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকবেন।
একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জানায় যারা ছোট চাকরি করে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক হুকুমের গোলাম বিভিন্ন মহলের সাধারণ মানুষ এবং একাধিক ব্যবসায়ীবৃন্দ মনে করেন ছোট কর্মচারীদের কে ক্ষমার দৃষ্টিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখবেন এবং ক্ষমা করে দেয়া উচিত হবে বলে মনে করেন।
Welcome To B News Just another WordPress site
