শিক্ষকদের আড়াই ঘণ্টার অনুরোধ উপেক্ষা করে আমরণ অনশন শুরু করেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ভিসির পদত্যাগের দাবিতে সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৩টা থেকে তারা কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিষদ চত্বরে অনশন শুরু করেন।
এ সময় ছাত্র কল্যাণ পরিষদের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তারসহ অন্য শিক্ষকরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানালে শিক্ষার্থীরা জানান, ‘সময় শেষ, এখন আর সমঝোতার সুযোগ নেই’। এভাবে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান শিক্ষকরা।
এর আগে দুপুর ১২টায় কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিষদ চত্বরে জরাজীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে নতুন ছাত্র কল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তার বলেন, ‘আমরা ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একটু আগেও আলোচনা করে আসছি। সংবাদ সম্মেলনের পরও বসব। আমরা বলেছি, আলোচনার টেবিলেই সব কিছু সমাধান সম্ভব।
সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) বলেন, ‘ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমরা তাদের নিয়ে বসেছি। তারা তাদের সমস্যার জায়গাগুলো আমাদের জানাবে। তাদের সব সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান করা যায় সে লক্ষ্যে ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘৩৭ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই বহিষ্কার কিন্তু চূড়ান্ত বহিষ্কার নয়। এখানে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটি বসবে। যেসব ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। নিরপরাধ কেউ যেন কোনো প্রকার শাস্তির মুখোমুখি না হয়, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) দপ্তরের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকরা এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।