জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি পাওয়া পর্যন্ত সময়ে ৫ লাখ গ্রাজুয়েটকে সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদে মাসিক ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে জামায়াত আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এমন প্রতিশ্রুতি দেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ রাখা হবে, ট্যাক্স ও ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ট্যাক্স ১৯ শতাংশ ও ভ্যাট ১০ শতাংশে নিয়ে আসা হবে এবং স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালু (এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে) করা হবে।
‘পলিসি সামিট’ অনুষ্ঠানে আগামী ৩ বছরে সব শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির চার্জ বাড়ানো হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত।
এ ছাড়া বন্ধ কলকারখানা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু এবং ১০% মালিকানা শ্রমিকদের প্রদান, কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণ সুবিধা, মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বক্তারা।
প্রতিবছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। বক্তাদের ভাষায়, মেধাবী গরিবের সন্তানও যেন হার্ভার্ড, এমআইটি, অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজে পড়তে পারে।
ইডেন ও বদরুন্নেসা কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক ও ৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও প্রদান করা হয় অনুষ্ঠানে।
বক্তারা আরো জানান, ‘ফার্স্ট থাউজেন্ড ডেইজ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় গর্ভধারণ থেকে শুরু করে শিশুর বয়স দুই বছর বয়স পর্যন্ত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি্র নিরাপত্তাকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসাও লক্ষ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।