শরীরের স্বাভাবিক ওজনের থেকে দুজনকেই আরও ১০-১৫ কেজি ওজন বাড়াতে হবে। তাই শুটিংয়ের প্রায় ১০ দিন আগে থেকে সেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলেন নাঈম ও ঊর্মিলা। কিন্তু মাত্র ১০ দিনে তো আর এত ওজন বাড়ানো সম্ভব নয়। তাই বিকল্প ব্যবস্থা। অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবস্তী কর জানালেন, মোটা দেখাতে তাঁর ও নাঈমের শরীরে যুক্ত করতে হয়েছিল কৃত্রিম ওজন। ফোম জড়িয়ে তৈরি করা হয়েছিল নকল মেদ। এরপর পরতে হয়েছিল পাঁচটি করে টি-শার্ট। তার ওপর ঢিলেঢালা শার্ট পরতে হয়েছে।এ গল্প চলো সবে ডায়েট করি নাটকের। পরিচালনা করেছেন রেদওয়ান রনি। নাটকে নাঈম ও ঊর্মিলা এক ‘ওজনদার’ দম্পতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকের একপর্যায়ে দুজনই ডায়েট করা শুরু করেন। নাঈম ডায়েটে সফলতা পেলেও ঊর্মিলা পড়েন বিপাকে। ঊর্মিলার ছোট ভাইয়ের ওজন প্রায় ১০০ কেজি! সে শুধু খায় আর খায়। ভাইয়ের খাওয়া দেখে বোন লোভ সামলাতে পারে না। বোনও স্বামীর অগোচরে ভাইয়ের সঙ্গে বসে চুরি করে করে খান। ঊর্মিলা বলেন, ‘এমনিতে ডায়েট করে যা ওজন কমিয়েছিলাম, এ নাটকে খাবারের শট দিতে গিয়ে বাস্তবে ওজন বেড়ে গেছে।’নাটকটি করতে গিয়ে মজার অভিজ্ঞতাও হয়েছে নাঈমের। তিনি বলেন, ‘তিন দিনের শুটিংয়ে খাওয়ার দৃশ্যধারণের সময় পিত্জা, বার্গার, চিকেন রোস্ট যে পরিমাণ খেতে হয়েছে; বাস্তবে সাত-আট মাসেও এত খাবার খাওয়া হয়নি। এক-একটি দৃশ্যের জন্য একাধিক অ্যাঙ্গেল থেকে শট নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রতিবারই খেতে হয়েছে।’পরিচালক জানান, চলো সবে ডায়েট করি দেখানো হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত ১১টা ৩০ মিনিটে আরটিভিতে।
Welcome To B News Just another WordPress site
