জিকা ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কিছু নেই। বলছে, রোগ তত্ত্ব-রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট।
তবে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ তাদের। এছাড়া, বিমান বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর আহ্বানও জানান তিনি। ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস।
বিশ্বব্যাপী সোয়াইন ফ্লু ধারণ করে মহামরি আকার। দুই মাসের মাথায় বাংলাদেশে দেখা দেয় ওই ব্যাধী টি। মারা যায় অন্তত ৮জন মানুষ। সারা বিশ্বে যে সংখ্যা ১৮হাজার ৫০০ জন। ২০১৪ সাল। বিশ্ববাসীর সামনে মহামারি রোগ ইবোলা। মাস খানেকের মধ্যেই এই ব্যাধীতে মারা যায় ১১ হাজারের বেশি মানুষ।
এর সংক্রমণ রোধে তখন ব্যাপক সর্তকতা নেয় বাংলাদেশও। ইবোলার ধারণা মানুষের মাঝে স্পষ্ট হওয়ার আগেই দৃশ্যপটে জিকা ভাইরাস। ব্যাপক আকার ধারণ করে দক্ষিণ আমেরিকায়। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার অশঙ্কা ইবোলার চেয়েও বড় হুমকি হতে পারে মশা বাহিত এই রোগটি।
এডিস মশা থেকে ছড়ানো এই ভাইরাস বড় উদ্বেগের কারণে নবজাতকদের জন্য। গর্ভবতী মা জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হলে তার অনাগত শিশুর উপর প্রভাব পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে বেশকিছু পরামর্শও রয়েছে এই গবেষকের। তিনি জানান, প্রয়োজনে জিকা সংক্রমনের ঝুঁকি রোধে দেশে প্রবেশের সব পথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
Welcome To B News Just another WordPress site
