Thursday , 16 April 2026
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home » স্বাস্থ্য » দেশে নতুন করে আরো ৫১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে
দেশে নতুন করে আরো ৫১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে

দেশে নতুন করে আরো ৫১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে

মোঃ কবির হোসেন:    দেশে নতুন করে আরো ৫১৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান। বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মহাখালীতে ট্রাস্ট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সেমিনারে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান জানান, দেশে বর্তমানে ১৪ হাজার ৪২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ৫ হাজার ৮০টি কমিউনিটি ক্লিনিক মেরামত ও পুনঃস্থাপন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, নতুন কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো করা হবে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি জাইকার অর্থায়নে। আর মেরামত ও পুনঃস্থাপনের কাজে অর্থায়ন করবে ওপেক। ইতিমধ্যে একটি তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তবে ক্লিনিকগুলো কবে নাগাদ নির্মাণ শুরু হবে, তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘দেশের ৭২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, জনস্বাস্থ্যসেবার জন্য আলাদা অবকাঠামো থাকা উচিত। এই ক্ষেত্রে কমিউনিটি ক্লিনিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ওষুধ সরবরাহ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ইতিমধ্যে ইডিসিএল থেকে ১২০ কোটি টাকার ওষুধ কেনা হয়েছে। এসব ওষুধ এক সপ্তাহের মধ্যেই সব কমিউনিটি ক্লিনিকে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া আরো ২০০ কোটি টাকার ওষুধ দ্রুত কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

একইসঙ্গে সারা দেশের ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো পুনর্নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চালু করা হবে ডিজিটাল রেফারেল সিস্টেম, যার মাধ্যমে একজন সেবাগ্রহীতা কোথায়, কী চিকিৎসা পেয়েছেন তা ট্র্যাক করা যাবে এবং সঠিক সময়ে সঠিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো জানান, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নারী স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা ধাপে ধাপে ৮০ শতাংশ বা তারও বেশি পর্যন্ত বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে (বর্তমানে ৫৪ শতাংশ)। তাদের ধাত্রীবিদ্যায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্যবিষয়ক এসডিজি লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়। এ ছাড়া হাওর, চর, উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে প্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার মানুষের জন্য একটি করে নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হবে।

কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিকের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিরোধমূলক ও পরামর্শমূলক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া। এখানে সাধারণত বড় ধরনের ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক থাকে না। প্যারাসিটামল, হিস্টাসিন, এন্টাসিড ইত্যাদি সাধারণ ওষুধ দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গর্ভবতী মায়েদের জন্য বিশেষ সেবা রয়েছে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী সিএইচসিপিরা নিরাপদভাবে স্বাভাবিক ডেলিভারি করাতে সক্ষম।’

About bnews24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top