Thursday , 14 May 2026
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home » আন্তর্জাতিক » শরণার্থী ঢোকার পথ বন্ধ করা নিয়ে মতভিন্নতা

শরণার্থী ঢোকার পথ বন্ধ করা নিয়ে মতভিন্নতা

ইউরোপের শরণার্থী-অভিবাসীর সংকট নিরসনে গতকাল সোমবার থেকে ব্রাসেলসে শুরু হওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগ মুহূর্তে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। বলকান অঞ্চল দিয়ে শরণার্থীদের ইউরোপে ঢোকার প্রধান যাত্রাপথ বন্ধ করে দেওয়া নিয়েই এই মতভিন্নতা। খবর বিবিসির।
সম্মেলনের আগে প্রকাশিত এক খসড়া ইশতেহারে বলা হয়েছে, ইইউ ওই অঞ্চলকে বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেবে। তবে জার্মানির সরকার এই কথাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এই সম্মেলনে তুরস্কও অংশ নিচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপের সবচেয়ে বড় শরণার্থীর ঢলের বেশির ভাগটাই আসছে তুরস্ক হয়ে। এই সম্মেলনে ইউরোপে প্রবেশ করা অভিবাসী-শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে চাপ দেওয়া হবে। গত বছর তুরস্ক থেকে নৌপথে গ্রিস হয়ে প্রায় ১২ লাখ শরণার্থী ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ঢুকে পড়ে। বেশির ভাগ শরণার্থীই গ্রিস থেকে উত্তর ইউরোপের দেশগুলোতে চলে যায়। তবে ইউরোপের আটটি দেশ শরণার্থীর চাপ সামলাতে সাময়িকভাবে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। এখন মেসিডোনিয়া তার সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার ফলে গ্রিসের উত্তরে ১৩ হাজার অভিবাসী আটকা পড়েছে।
গতকালের সম্মেলন শেষে শরণার্থী সংকট কাটাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে ইইউর দেশগুলোর নেতারা আগে থেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করে আসছেন। গতকাল সম্মেলনস্থলে এসে জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেন, আলোচনা বেশ জটিল হবে বলেই তাঁর ধারণা। এর আগে রোববার গণমাধ্যমে প্রকাশিত সম্মেলনের খসড়া ঘোষণায় বলা হয়, পশ্চিম বলকানের পথ ধরে অভিবাসীদের চলাচল বন্ধ হতে চলেছে। ওই পথটি বন্ধ। তবে এ প্রসঙ্গে ম্যার্কেল বলেন, গ্রিসসহ প্রতিটি দেশকেই এটা বুঝতে হবে, এ পথ বন্ধ হচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘তুরস্কের সঙ্গে শরণার্থী সমস্যা নিয়ে একটি স্থায়ী সমাধানের পথে আমরা। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ এবং শরণার্থীদের জীবনমান উন্নত করার পন্থা বের করতেও আমরা এখানে সচেষ্ট হব।’
এদিকে জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, বলকানের পথ বন্ধ হয়ে যাবে, এমন কোনো কথাই নেই। এখন প্রতিদিন জার্মানিতে ৩০০ থেকে ৫০০ মানুষ আসছে।
যুক্তরাজ্য যোগ দিচ্ছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ঘোষণা দিয়েছেন, ইজিয়ান সাগরে শরণার্থী পর্যবেক্ষণে থাকা ন্যাটোর বাহিনীতে দেশটির নৌবাহিনী যোগ দেবে। শরণার্থী সংকট নিরসনে জার্মানি, কানাডা, তুরস্ক ও গ্রিসের সঙ্গে এ বাহিনীতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন ক্যামেরন।

About bnews24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top