Sunday , 31 May 2026
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home » ব্যাংক-বিমা » জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ
জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ

জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ

জানুয়ারি থেকে নতুন নির্ধারিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবারও কমানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ। অর্থ উপদেষ্টার অনুমোদন হলেই কার্যকর হবে এই হার। প্রস্তাব অনুমোদন হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) পরিপত্র জারি করবে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ গত রাতে বলেন, প্রস্তাবটি এখনো আমার কাছে আসেনি। তবে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির স্বার্থে ব্যাংকারদের দিক থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কিছুটা কমানোর একটা দাবি আছে। সার্বিক স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

সরকার গত ৩০ জুন আয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নিয়মিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। তখন গড় মুনাফার হার কিছুটা কমিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, ছয় মাস পর আবার হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

এ বিষয়ে আইআরডি সচিব মো. আবদুর রহমান খান বলেন, মুনাফার হার বাড়ছে না কমছে, বলতে পারব না। পুরো বিষয়টি এখন অর্থ বিভাগ দেখছে। অর্থ বিভাগের সুপারিশ এলে আমরা পরিপত্র জারি করব।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের মধ্যে পরিবার সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে জনপ্রিয়।

এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের মেয়াদি হিসাবে তিন বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং বেশি বিনিয়োগে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তবে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবের মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে জানা গেছে।

এ দিকে বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বেশি হলে স্বাভাবিক কারণেই সঞ্চয় চলে যায় সরকারি তহবিলে। এ হার একটু কমলে তা ব্যাংকে আসবে, যা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই–অক্টোবর) সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকার নিট ২ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এর আগের ২০২৪–২৫ অর্থবছরে নিট ঋণ ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। গত অক্টোবর শেষে সঞ্চয়পত্রে সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা।

About bnews24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top