গতকাল শনিবার ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী রকেট হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় এখন পর্যন্ত শিশু ও নারীসহ ৭ ফিলিস্তিনির নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। এদিকে, ইসরায়েল-গাজা সীমান্তে এই উত্তেজনার মধ্যেই একটি স্পর্ষকাতর ছবি টুইট করেছে ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী আইডিএফ। খেলনা বন্দুক দিয়ে খেলছে-এমন শিশুদের ছবি টুইট করে আইডিএফ দাবি করছে, ছবির ওই শিশুরা হামাস চালিত প্রাক-বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল। কিন্তু এ ধরনের অপ-প্রচার সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা ভালোভাবে গ্রহণ করেনি।
আইডিএফ-এর দাবি, হামাস শিশুদের ভবিষ্যত হরণ করছে। এবং ওই শিশুদের ব্যবহার করে ইসরায়েলে লুটতরাজ করার চেষ্টা করছে হামাস। আমরা তা হতে দেব না। কোনো দেশই এমনটা হতে দেবে না।
আইডিএফ বলছে, প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, সবুজ পট্টি পরিহিত ফিলিস্তিনি শিশুরা সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে এক সপ্তাহ পর রবিবার সকাল থেকে ইসরায়েল সীমান্তে ভারী গোলাবর্ষন শুরু হয়েছে। আর এর মধ্যেই ফিলিস্তিনি শিশুদের ওই ছবিকে ঘিরে অনলাইনে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অনলাইনে অনেক টুইটার ব্যবহারকারী ওই ছবি প্রকাশের কারণে আইডিএফের নিন্দা জানিয়েছে।
একজন টু্ইটার ব্যবহারকারী বলেছেন, তোমরা যদি (ইসরায়েলিরা) ফিলিস্তিনিদের ওপর রকেট হামলা বন্ধ করো তবে তাদের (ফিলিস্তিনি) ওই ধরনের কাজ করার দরকার হবে না।
গত সাত দশক ধরে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। ফিলিস্তিনিরা মনে করে, ইসরায়েলিরা তাদের নিপীড়ন চালাচ্ছে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হওয়ার কারণে তারা তাদের ভূমি হারিয়েছে। এ কারণে তাদের ভূমি উদ্ধারে ফিলিস্তিনি তরুণদের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।
২০০৭ সাল থেকে গাজা ভূখণ্ড শাসন করছে হামাস। হামাস প্রতি বছর সামার ক্যাম্পের আয়োজন করে থাকে। এই ক্যাম্পে কিশোর-তরুণদের সামরিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
Welcome To B News Just another WordPress site
