Saturday , 16 May 2026
সংবাদ শিরোনাম
You are here: Home » আন্তর্জাতিক » বাংলাদেশের অর্থ চুরির ঘটনা জানতেন প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তান

বাংলাদেশের অর্থ চুরির ঘটনা জানতেন প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তান

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থের অবৈধ লেনদেনের ঘটনাটি ফিলিপাইনের ব্যাংক রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তান জানতেন। এর সঙ্গে তাঁর এক ‘বন্ধু’ জড়িত।ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট শাখার ব্যবস্থাপক সান্তোস দেগুইতো এ দাবি করেছেন। সংবাদমাধ্যম এবিএস-সিবিএন নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন। এই নারী আরো বলেন, তানের ওই বন্ধুর নাম কিম ওং। যে ছয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে চুরির লাখ লাখ ডলার তোলা হয়েছে, তার একটি ওই কিমের।দেগুইতো বলেন, ২০১৫ সালের মে মাসে কিম ওং তাঁর কাছে চারজনকে পাঠান। তাঁদের নাম মাইকেল ফ্রান্সিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার লারগ্রোসাস, আলফ্রেড সান্তোস ভারগারা ও এনরিকো তিওদোরো ভাসকুয়েজ। এই চারজনই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে অন্য অ্যাকাউন্ডগুলো খোলেন।দেগুইতো বলেন, ‘আমি পাঁচ ব্যক্তির সঙ্গে সোলেয়ার হোটেলে দেখা করেছি। যেমনটা আমি আগেও রেডিওতে সাক্ষাৎকারে বলেছি, ব্যবস্থাপক হিসেবে আমি মার্কেটিংয়ের জন্য শাখার বাইরে যেতেই পারি।’ তিনি বলেন, ‘সোলেয়ারে পাঠানো ওই পাঁচ ব্যক্তির কথা আমাকে বলা হয়েছিল। ওই পাঁচজন সেখানে সব কাগজপত্র দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার ফরম পূরণ করেছিল।’কেন তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে হোটেলে গেলেন-এমন প্রশ্নের জবাবে দেগুইতো বলেন, ‘কিম ওং ব্যাংক প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা পেতে পারেন।’

ব্যবসায়ীর ডলার অ্যাকাউন্ট

কিম ওং এবং অন্যদের খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে আট কোটি ১০ লাখ ডলার আসার আগ পর্যন্ত অব্যবহৃত ছিল। এরপর তা স্থানীয় ব্যবসায়ী উইলিয়াম গোর ডলার অ্যাকাউন্টে পেসো করে দেওয়া হয়।দেগুইতো বলেন, কিম ওংয়ের আদেশে ৫ ফেব্রুয়ারি উইলিয়াম গোর ডলার অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়। ওই দিনই তাঁদের ব্যাংকে আট কোটি ১০ লাখ ডলার ঢোকে।তবে ব্যবসায়ী গো অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপারে কিমের নির্দেশটি জানতেন কি না, দেগুইতো তা যাচাই করেননি।

উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশ গিয়েছিল?

দেগুইতো আরো বলেন, অবৈধ অর্থ তাঁর জুপিটার শাখায় পৌঁছার আগে আদেশ পাস করে আরসিবিসির প্রধান কার্যালয়।দেগুইতো দাবি করেন, তিনি হঠাৎ করেই এত বিশাল পরিমাণ অর্থ আসার বিষয়টি প্রধান কার্যালয়ের নজরেও আনেন। কিন্তু তারা কোনো লাল নোটিশ দেয়নি।‘এমনকি আরসিবিসির ট্রেজারি শাখা ডলারগুলো পেসোতে পরিবর্তন করেও দেয়,’ বলেন দেগুইতো। তাঁর দাবি, প্রেসিডেন্ট তান লেনদেনের বিষয়টি জানতেন।তবে লরেঞ্জো তান লেগুইতোর সব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

About bnews24

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top