পেশাদার ফুটবল জীবনে ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন উরুগুয়ের সাবেক ফরোয়ার্ড ডিয়েগো ফোরলান। বুধবার এক বিবৃতিতে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি অবসরের ঘোষণা দেন। ক্লাব পর্যায়ে ২১ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনটি মহাদেশে খেলেছেন এই ফুটবল তারকা।জাতীয় দলের হয়ে শেষবারের মতো তিনি খেলেছিলেন ২০১৪ সালে। ইউরোপে নিজের ক্লাবের হয়ে ইতি টেনেছিলেন তারও বছর দুই আগে। কিন্তু খেলাটা চালিয়ে যাচ্ছিলেন উরুগুয়ের স্ট্রাইকার। এক বছরের বেশি সময় তাকে খেলতে দেখা যায়নি। সেই ফোরলানই এবার অবসর ঘোষণা করলেন।গেল বছর মে মাসে হংকংয়ের ক্লাব কিটচের হয়ে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন ফোরলান। এরপর আর কোথাও খেলেননি তিনি। বিদায়ী ভাষণে সংবাদমাধ্যমের কাছে ফোরলানন জানান, ‘এটা সহজ ছিল না। আমি চাইনি এমন কোনো সময় আসুক। কিন্তু আমি জানতাম এমন কিছু ঘটবে। আমি পেশাগতভাবে ফুটবল খেলা থামিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’পেশাদার ফুটবলারের জীবন শুরু করেছিলেন আর্জেন্টিনার ক্লাব ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টের। পরে খেলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ভিয়ারিয়াল, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের মতো বড় সব ক্লাবে। ক্যারিয়ারের শেষভাগ কাটিয়েছেন এশিয়ায়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন ফোরলান।দুই স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ারিয়াল ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে ২০০৪ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত খেলেন। লা লিগায় ২৪০ ম্যাচে করেন ১২৮ গোল। দুইবার জিতে নেন ইউরোপের লিগ ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।উরুগুয়ের হয়ে ১১২টি ম্যাচ খেলা ফোরলানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময় ২০১০ বিশ্বকাপ। দলকে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে তুলতে তিনি বড় অবদান রেখেছিলেন। প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসেবেও তিনি পুরস্কৃত হন। পাঁচটি গোল করে সাউথ আফ্রিকা বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছিলেন দেশের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৬ গোল করা এই তারকা। পরে বিশ্বে তকমা পেয়ে যান ‘উরুগুয়ের ম্যারাডোনা’ হিসেবে।
Welcome To B News Just another WordPress site
