ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। এর পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। দুই বছরের অন্তরালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিজয়ী হওয়ার পর মঙ্গলবার প্রথমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন এবং পরে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।
এর মাধ্যমে দেড় বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার দেশে দায়িত্ব গ্রহণ করে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতি নানা চড়াই-উতরাই পার হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর আগে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে ছিলেন। দেশে ফিরবার আগে ৩০ ডিসেম্বর মারা যান তার মা, বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হন। আদালতের নির্দেশনায় দুটি আসনের ফল ঘোষণা হয়নি এবং একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনে নির্বাচন হয়নি।
একই দিন সংবিধান সংস্কার নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার ‘হ্যাঁ’ এবং ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন। তবে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি সংবিধানে নেই। এর ফলে সংসদ সচিবালয়ে প্রস্তুতি থাকার পরও শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ দেড় বছর পর আবারও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার পেল।
Welcome To B News Just another WordPress site
